Download WordPress Themes, Happy Birthday Wishes
ব্রেকিং:

‘বোলিং ভালো না হলে ৪০০-ও যথেষ্ট নয়’-তামিম

২০১০ সালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথম সেঞ্চুরিটি পেয়েছিলেন। ১২৫ রানের ম্যাচ সেরা পুরস্কার জেতা ইনিংস খেলেও হারতে দেখেছিলেন দলকে। কাল আরও একবার বৃথা গেল তামিম ইকবালের সেঞ্চুরি। চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে বাংলাদেশি ব্যাটসম্যানদের মধ্যে সর্বোচ্চ ইনিংসের রেকর্ড গড়ে। ৩০৫ রানের পুঁজি এনে দিয়েও। কালকের ম্যাচের পর তামিমের উপলব্ধি, বোলিংটা ভালো না হলে কোনো স্কোরই নিরাপদ নয়।

বোলিংয়ের ছকটা বাংলাদেশ আরও ভালোভাবে কষতে পারত, এই উপলব্ধি তামিমের, ‘শিক্ষাটা হলো ৩০০-ও এখন যথেষ্ট স্কোর নয়। তবে আপনি যে স্কোরই করুন না কেন, পরিকল্পনামতো বোলিং করতে না পারলে ৪০০-ও যথেষ্ট নয়। বোলিংয়ে আমরা কী কী ভুল করছি তা বের করতে হবে। সেগুলো শুধরে নিতে হবে। নিশ্চিত করতে হবে, পরের ম্যাচের আগে আমরা সব ঠিকঠাক করে নিয়ে প্রস্তুত হয়েছি। আমাদের বসে কথা বলতে হবে, কোন ব্যাপারগুলো আমরা অন্যভাবে করতে পারতাম।’
কালকের ইনিংসটি তাঁর কাছে তাই দুই রকম স্মৃতি বয়ে নিয়ে এল। আইসিসির ওয়ানডে টুর্নামেন্টে এই প্রথম সেঞ্চুরি করলেন। সঙ্গে যোগ হলো কিছু ব্যক্তিগত অর্জনও। শেষ পর্যন্ত দল যদিও জেতেনি। দল জিতলে এই ইনিংসের মাহাত্ম্য অন্য রকম হতো নিশ্চয়ই। সিনিয়র ক্রিকেটার হিসেবে তামিম দলে অবদানই রাখতে চান।
এই তামিম এখন বদলে যাওয়া এক ব্যাটসম্যান। দারুণ ধারাবাহিক। ক্যারিয়ারের ৯টি ওয়ানডে সেঞ্চুরির ৫টিই গত দুই বছরে এসেছে তাঁর ব্যাটে। গতকালও শুরুর দিকে খেলেছেন রয়েসয়ে। তারপর সুযোগ বুঝে রানের গতি বাড়িয়েছেন। এই মাঠেই দুদিন আগে ৮৪ রানে অলআউট হওয়ার অপচ্ছায়া তো দূর হয়েছে তাঁর ব্যাটেই।
তামিম নিজের ইনিংসটা ব্যাখ্যা করলেন এভাবে, ‘আমি বিশেষ কিছু করার চেষ্টা করিনি। বল বুঝে বুঝে খেলতে চেয়েছি। যেটা বিশেষভাবে খেয়াল রেখেছিলাম, বাউন্ডারি মারার সুযোগ পেলে তা যেন হাতছাড়া না করি। যখনই বাজে বল পেয়েছি, নিশ্চিত করেছি সেটা যেন চার বা ছয় হয়।’ সূত্র: ক্রিকইনফো।

Print Friendly, PDF & Email

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*