Download WordPress Themes, Happy Birthday Wishes
ব্রেকিং:

ভালো না খেলে রেকর্ড ঘেঁটে লাভ নেই: তামিম

লন্ডনে প্রায় প্রতিদিনই বৃষ্টি। সঙ্গে কনকনে ঠান্ডা। লন্ডন থেকে মঙ্গলবার বিকালে কার্ডিফে এসেছে বাংলাদেশ দল। কিন্তু এখানে এসেও যে শান্তি নেই! স্থান বদল হয়েছে বটে, কিন্তু আবহাওয়ার বদল হয়নি।

সেই কঠিন আবহাওয়ার সঙ্গে লড়াই। লন্ডনের চেয়ে এখানে বরং ঠান্ডার পরিমাণ আরেকটু বেশি। সঙ্গে বাতাস তো আছেই। এখানেও গত কয়েকদিন ধরে বৃষ্টে নেমেছে। বুধবার সকালেও বৃষ্টি হযেছে। এ লেখা যখন লিখছি তখন হালকা মেঘ ভেদ করে রোদ উঠেছে। কিন্তু তাতে আশান্বিত হবার কারণ নেই। এটা ক্ষণিকের জন্য স্বস্তি হলেও, চারপাশের আকাশ ভালো কিছু নির্দেশ দিচ্ছে না। চারপাশেই মেঘের আনাগোনা দেখা যাচ্ছে।

গতকাল কার্ডিফে পৌঁছে প্র্যাকটিস করেনি বাংলাদেশ দল। অফিসিয়াল প্র্যাকটিস শিডিউলও ছিল না এদিন। তবে কনকনে ঠান্ডার মধ্যে বুধবার সকাল দশটা থেকে দুপুর পর্যন্ত প্র্যাকটিস করেছে বাংলাদেশ।

প্র্যাকটিস শেষ করে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন ওপেনার তামিম ইকবাল। প্রথম ম্যাচে সেঞ্চুরি, অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ৯৫। তার আগে পাকিস্তানের বিপক্ষে প্র্যাকটিস ম্যাচে সেঞ্চুরি। একেবার স্বপ্নের মতো। শুক্রবার নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে বাঁচা মরার লড়াইয়েও আরেকটা তামিম শো? হ্যাঁ, তামিমের দিকেই তাকিয়ে দল।

শেষ চারে উঠতে হলে এই ম্যাচে জিততেই হবে। হারলে বাদ। কিন্তু এখানকার আবহাওয়া মোটেও অনুকূলে নয় বাংলাদেশের জন্য। কনকনে ঠান্ডার সঙ্গে জোরালো বাতাস। এমন অবস্থায় স্বাভাবিক পারফরম্যান্স সহজ নয়।

তবে কার্ডিফ এবং নিউজিল্যান্ড বলেই হয়তো ভিতরে ভিতরে আত্মবিশ্বাসী বাংলাদেশ। ২০০৫ সালে এখানেই ঐতিহাসিক জয় এসেছিল অস্ট্রলিয়ার বিপক্ষে। আশরাফুলের সেঞ্চুরিতে অজিদের ৫ উইকেটে হারিয়ে দিয়েছিল বাংলাদেশ। অন্যদিকে কিউইদের বিপক্ষে টাইগাররদের রেকর্ডও চমৎকার।

না, তামিম সেই ১২ বছর আগের এক ম্যাচে আটকে থাকতে চাইলেন না। তার মতে, ভালো না খেললে অতীত রেকর্ড কোনও কাজে আসবে না। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে জয় পেতে হলে সেরা খেলার বিকল্প নেই বলে জানালে তামিম। লাভ নেই রেকর্ড ঘেঁটেও।

তিনি বলেন, ‘আমাদের একটা ইতিহাস আছে এই মাঠে। আমাদের চেষ্টা থাকবে সেই ইতহাসটা যেন ধরে রাখতে পারি। তবে আমি যতোই ইতিহাসের কথা বলি না কেন, আমার কাছে মনে হয় যে, নির্ধারিত ম্যাচে আমাদের ভালো খেলতেই হবে। যদি আমরা ভালো খেলি তাহলেই সব করা সম্ভব। তা না হলে কোনোকিছুই সম্ভব হবে না।’

এখানকার আবহাওয়াও একটা ফ্যাক্টর বলে জানালেন তামিম। বললেন, ‘আমরা এক মাসের বেশি ইংল্যান্ডে এসেছি। এটা প্রস্তুতির জন্য অনেক সময়। কিন্তু তারপরও এখানকার কন্ডিশন সহজ নয় আমাদের মতো দলের জন্য।’

গত ম্যাচে ৫ রানের জন্য সেঞ্চুরি বঞ্চিত হয়েছেন তামিম। আউট হয়েছেন ৯৫ রানে। মাত্র ৫ রান হলেই নতুন নজির সৃ্ষ্টি হয়ে যেত। বড় টুর্নামেন্টে টানা দুই ম্যাচে সেঞ্চুরি। তাও ইংল্যান্ডের মাটিতে।

এটা নিয়ে একটু আফসোস তো থাকার কথাই। কিন্তু নিজের রেকর্ডের চেয়ে দলের ফলই তার কাছে বড় ব্যাপার। তামিম বলেন, ‘দেখুন, কে না চায় পরপর দুই ম্যাচে সেঞ্চুরি পেতে। তবে প্রথম সেঞ্চুরিটা অর্থবহ হতো যদি ম্যাচ জিততে পারতাম। কিন্তু হয় নাই। এটা নিয়ে আক্ষেপ করে লাভ নাই। এমন অনেক সময় এসেছে ৮০, ৯০ এর পরে আমি উইকেট দিয়ে এসেছি। তবে ওইদিন আমার নিয়ন্ত্রণে ছিল না। শট খেলেছি। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত টপ এজ হয়ে গেল। দলের জন্য অবদান রাখতে পেরে আমি খুশি। দল জিতলে আরও ভালো লাগতো।’

Print Friendly, PDF & Email

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*