Download WordPress Themes, Happy Birthday Wishes
ব্রেকিং:

ভবদহের গান্ধিমারা বিলে অপরিকল্পিত মৎস্য ঘেরের জন্য বোরো আবাদ অনিশ্চিত

স্টাফ রিপোর্টার:
অভয়নগর উপজেলার ভবদহ’র জলাবদ্ধতায় আক্রান্ত গান্ধিমার বিলে অপরিকল্পিতভাবে গড়ে উঠেছে মৎস্য ঘের। বিলে যাতায়াতের হালট ও পানি প্রবাহের নিচু দাঁড়া বাধা পড়ায় পানি নিষ্কাশন হতে পারছে না। যে কারনে ওই বিলে এবছর বোরো ধান চাষ অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। গত বছরও বোরো আবাদ হয়নি ওই বিলে। ফলে চরম হতাশা দেখা দিয়েছে ওই এলাকার কৃষকদের মাঝে।

এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, বিলের হাজী ভাঙ্গা এলাকা থেকে ডুমুরতলা খালে পানি নিষ্কাশনের জন্য কোন পথ না রেখে মাছের ঘের করা হয়েছে। বিলে চলাচলের জন্য ব্যবহৃত খাস হালট ও খাল দখল করে মৎস্য ঘের করা হয়েছে। ওই বিলের পানি প্রবাহের প্রধান পথ ধোপাদী গাজীর কালভার্ট থেকে ডুমুরতলা বড় কালভার্ট পর্যন্ত প্রায় দেড় কিলোমিটার কোথাও পানি নিষ্কাশনের পথ না রেখে মৎস্য ঘের করা হয়েছে। ফলে বন্ধ হয়ে গেছে বিলের পানি প্রবাহ। অনেকে ঘেরের পানি নিষ্কাশনের জন্য পাম্প দিয়ে সেচে ফেলছে কৃষকের ফসলি জমির উপর। এতে করে ফসলি জমিতে পানির পরিমান বেড়ে যাচ্ছে ফলে চলতি মৌসুমে বোরো চাষাবাদ অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। এলাকার কৃষকেরা হতাশায় দিন কাটাচ্ছে। এলাকার কয়েকজন কৃষক নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, বিলে হাবিবুর ফারাজী, শ্যামল বাবু ও ডুমুরতলা গ্রামের ছোট কালভার্টের পাশে কৃষ্ণ বৈরাগীর অপরিকল্পিত ঘেরের কারনে পানি নিষ্কাশনে বাধা পড়েছে। তারা দ্রæত ওই সব ঘেরের মাঝ বরাবর খাল কেটে পানি নিষ্কাশনের জন্য প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। ভবদহ পানি নিষ্কাশন সংগ্রাম কমিটির আহবায়ক রণজিত বাওয়ালী জানান, অপরিকল্পিত মৎস্য খামার করে পানি প্রবাহে বাধা পড়েছে। তাছাড়া জলাবদ্ধ সমস্যা লাঘবের জন্য পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্মাণ করা ডুমুরতলা – মশিয়াহাটি সড়ক ব্যবহার করে অনেক মৎস্য খামার গড়ে উঠেছে। ওই সব খামারে ব্যবহার করা হচ্ছে মানুষ ও পশু-পাখির মল সহ রাসায়নিক সার। এতে করে সড়কটির মাটি ক্ষয়ে হুমকির মুখে পড়েছে। তিনি দ্রæত এ ব্যপারে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন। অভয়নগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এস এম মাহমুদুর রহমান জানান, পানি নিষ্কাশনের পথ না রেখে মৎস্য ঘের করার ফলে সৃষ্ট সমস্যা সমাধানের জন্য এলাবাসীর সাহায্য জরুরী। এ জন্য এলাকাবাসী সমস্যা চিহ্নিত করে তা সমাধানের জন্য আমার দপ্তরে আবেদন করলে আমি কার্যকারি ব্যবস্থা নেব।

Print Friendly, PDF & Email

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*